বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০

নীরব আলো APRIL 2020 - PDF ডাউনলোড




" নীরব আলো -  এপ্রিল ২০২০ " - একটি ছোট্ট এবং সম্পূর্ণ স্বাধীন প্রচেষ্টা আপনাদের মনোভাব সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার | আপনাদের মধ্য থেকেই  লিখিত সংগ্রহকে এই পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশিত করা হয় প্রতি মাসে |

পত্রিকাটি কোন রকম ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে ব্যবহিত করার জন্য নয় | এটি একটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যের মাসিক ই-পত্রিকা |

" নীরব আলো " - এপ্রিল ২০২০ সংখ্যা প্রকাশিত হল আপনাদের জন্য  |  ডাউনলোড করুন ,পড়ুন ,আনন্দ উপভোগ করুন এবং এর সাথে নিচে কমেন্ট বাক্স এ আপনাদের মতামত ,অভিযোগ অবশই জানাবেন  | আপনাদের মতামত নতুন লেখক লেখিকাদের আরো উৎসাহিত করবে  |

আপনারা সকলেই আমাদের মাসিক ই-পত্রিকাটি PDF ফাইল ফরম্যাট এ ডাউনলোড করতে পারবেন নিচের লিঙ্ক টিতে ক্লিক করে  | "ডাউনলোড" বোতামটিতে ক্লিক করলেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে | ধন্যবাদ


বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২০

নীরব আলো MARCH 2020 - PDF ডাউনলোড




" নীরব আলো -  মার্চ ২০২০ " - একটি ছোট্ট এবং সম্পূর্ণ স্বাধীন প্রচেষ্টা আপনাদের মনোভাব সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার | আপনাদের মধ্য থেকেই  লিখিত সংগ্রহকে এই পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশিত করা হয় প্রতি মাসে |

পত্রিকাটি কোন রকম ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে ব্যবহিত করার জন্য নয় | এটি একটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যের মাসিক ই-পত্রিকা |

" নীরব আলো " - মার্চ ২০২০ সংখ্যা প্রকাশিত হল আপনাদের জন্য  |  ডাউনলোড করুন ,পড়ুন ,আনন্দ উপভোগ করুন এবং এর সাথে নিচে কমেন্ট বাক্স এ আপনাদের মতামত ,অভিযোগ অবশই জানাবেন  | আপনাদের মতামত নতুন লেখক লেখিকাদের আরো উৎসাহিত করবে  |

আপনারা সকলেই আমাদের মাসিক ই-পত্রিকাটি PDF ফাইল ফরম্যাট এ ডাউনলোড করতে পারবেন নিচের লিঙ্ক টিতে ক্লিক করে  | "ডাউনলোড" বোতামটিতে ক্লিক করলেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে | ধন্যবাদ


বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৯

" সেদিন " - মনোজ রায়


মনে পরে সেদিনের সেই দিনটি?
যেদিন বসে ছিলাম তুমি আর আমি
করে অধিকার পার্কের সেই কোনটি।

একটানা বৃষ্টি পড়ছিল মুষল ধারায়।
চেয়েছিলাম ভিজতে, কিন্তু পারিনি
তাই এসেছিলাম দুজনে এক ছাতার তলায়।

নিঃশব্দে কাটিয়েছিলাম অনেকটা সময়
একে অপরের দিকে চেয়ে, কি যেন
এক অদ্ভুত অনুভূতি জেগেছিল অন্তরময়।

হয়তো তুমিও বুঝেছিলে সেই অনুভূতি-
সেদিন কিছুই বলতে পারিনি।
ভয় ছিল মনে, তোমায় হারাই যদি...।

বৃষ্টি থামলে... করছিলে তাড়াহুড়ো
"বাড়ি যেতই হবে, হয়েছে দেরি"
ঘড়িতে তখন বেজেছিলো পাঁচটা বারো।

তুমি গেলে চলে নিজের পথ ধরে;
যেন আরো কিছু সাথে নিয়ে-
ভাবিনি নেবে তুমি আমাকেও আপন করে॥


                                      ©  মনোজ রায়  ©

" মেশানো উষ্ণতা " - ধ্রুব বিকাশ মাইতি


আমি মিশে গেছি......
অসময়ের বাঁধভাঙা বৃষ্টির শীতল মেজাজে,

সে আমায় গভীর শ্বাসে নিমেষের মধ্যে
বার বার জড়িয়ে ধরেছে আগন্তুক পথে,

শরীরগুলো সব লতিয়ে লতিয়ে পড়ছে I

ওরা যে ভালোবাসায় মিলনের কাঙাল!
তোমরা ওদের একটু ভালোবাসা দাও;
দেখবে ওরাও উজার করে সবটাই দেবে।

কিছু মানুষ-জন দেখি সবুজ মাঠে-ঘাটে
ওদের সাথে জড়াজড়ি করছে তৃষ্ণায়।

আর আমি কিছুক্ষণ আদর করার পর
লুকোতে চেয়েছিলাম কারোর বারান্দায়..
কিন্তু তখনও দেখি আমায় জড়িয়ে রেখেছে,
দুজনের মিলনের নতুনে মেশানো উষ্ণতা
মাটিতে ঝরছে বাসন্তিকের নব আবেগে।

তারপর আবার অনেকটা... সময় মিশেছি।


                                © ধ্রুব বিকাশ মাইতি ©

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৯

" আমার আমি " - প্রিয়া কর্মকার


                   আমার 'আমি'টার গত দুদিন আগে মৃত্যু হয়েছে, এক ভীষণ বড়ো ধরনের ধাক্কায়। না না... কোন বাহ্যিক দুর্ঘটনায় ঘটেনি তার সাথে। ঘটলে লিখতাম কী করে তার মৃত্যু কাহিনি? হাহাহা...!! তবে সে যে আর বেঁচে নেই এবং ক্ষণিক সময়ের বেড়াজালে কিভাবে তার তিলে তিলে মৃত্যু হল সে কেবল নিজেই উপলব্ধি করেছি। তবুও তার মৃত্যুর অনুভূতি আরেকজনও নিশ্চয়ই পাচ্ছে। থাক সে কথা। সে তো জানতোই যে আমার 'আমি'টা কতখানি অভিমানী। আমার 'আমি'টা এমনিতেই নানান কারণে ভীষণ রকম দুর্বল ছিলো, কোনো কিছুই ভালো লাগত না তার। তবে তার মৃত্যুর মাস ছয়েক আগে থেকে তাকে হাসিখুশিতে উজ্বল থাকতে দেখেছিলাম সবর্দা। যে কারণেই হোক না কেন তার খুশি আমি মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু, কারণটা যখন আজ অনেক কারণ দেখিয়ে আমার 'আমি'কে অস্বীকার না করলেও স্বীকার করতে দ্বিধা বোধ করছিলো, তখন আমার 'আমি' আর বোধহয় সহ্য করতে পারলো না এই অভাবনীয় ধাক্কাটা। তাই সে চলে গেল, তাকে ছেড়ে। তবে নিঃস্ব করলো না আমাকে বা তাকে। দিয়ে গেল অফুরন্ত শক্তি, লেখনি শক্তি। তবে প্রশ্ন একটাই, এই মায়াময় পৃথিবীর মায়াজাল কাটিয়ে ওঠা আমার একার পক্ষে কি সম্ভব হবে? ভীষণ ভয়ও হয়, কোনো এক অদৃশ্য মায়াজালে নতুন কোনো ক্ষতের দাগ পেতে কোনভাবেই পুনর্জন্ম লাভ করবে না তো আমার 'আমি'টা? সত্যিই জানি না।


                                                                © প্রিয়া কর্মকার ©

" খেলনাপাতি " - শিবাশিস মৌলিক


মন কি তোর খেলনাপাতি?
খেলবি শুধুই ভাঙাচোরার খেলা!
খেলনাবাটি নিয়েও তো
 স্বপ্ন দেখে মেয়েরা —
মা সেজে সংসার করার।

বয়স বাড়লে স্বপ্নে বদল হয়
বদলায় মানুষের মন!
প্রয়োজনে বদলায় সঙ্গীও।
তা বলে অকারণে?

তোর সঙ্গে খেলব ভাবি
অন্তহীন খেলা,
হার-জিতহীন খেলা।
তুই বারবার খেলা ঘেঁটে দিস
নষ্ট করিস সময়,
জেতার সুযোগ।

আমি হারলেই কি জিতিস তুই?
নাকি হেরে গিয়েই
মিলিত হই দুজনে।
পরাজিতের আসনে
আমি তুই একাকার।



                                           © শিবাশিস মৌলিক ©

" একটু আশা " - বিউটি ঘোষ


তোর জন্য স্বপ্ন দেখি নয়ন ঠুলি উঠিয়ে তাই-
বিশ্বজগৎ কাঁপিয়ে দিয়ে বলবো শুধু তোকেই চাই।
লিখে দেখো চলার পথে জানবে প্রতি ধূলিকণা,
আমি আপন পথভুলা যে, হতে পারিস তুই আনমনা।
ফিরিয়ে নিয়ে আসবো আমি স্বর্গ পথেও দেবো পাড়ি।
ভাঙ্গবো আমি হাজার দুয়ার স্বর্গ পথে ওই যে তারই।
দত্যি-দানব এক হয়েছে কেড়ে নিতে আমার গতি, 
আমার অহং গতির ধারায় দেখবো তাদের পরিণতি।
শুকনো কাঠেও ধরবে যে ওই পুষ্পশাখার হাজার শাখি;
আজও আমি বিশ্বমাঝে তোকে নিয়েই স্বপ্ন আঁকি॥

                                          © বিউটি ঘোষ ©