শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

" তোমায় দিলাম " - সুফি রায়



তোমার মনে পড়ে,
একদিন বেহাগ-বসন্তের রাতে আমায় বলেছিলে
"আমার সমস্ত কিছু আজকে তোমায় দিলাম।"
সেদিন তোমার কোমল উষ্ণতা জড়িয়ে ছিল আমায়-
আর আমার মন কর্পূর হয়ে হাওয়ায় ভেসেছিল।

সেদিন আমিও আমার মন নিংড়ে
সমস্ত অনুভূতিটুকু তোমায় দিলাম।
আমার একলা দুপুরে ভিড় করে আসা চুপকথা
আমি তোমায় দিলাম।
আমার ওই নীল আকাশে মেঘের নৌকা,
আর সবুজ জলের শালুক ফুল-
আমি তোমায় দিলাম।

আমার সন্ধ্যাকাশের টিমটিম,
আর গভীর রাতের বিষণ্ণ একটুকরো চাঁদ
ঠিক আমারই মত-
আজ... তাও তোমায় দিলাম।
আর দিলাম, আমার কালি-কলম,
যার এক-একটা আঁচড়ে রূপ পায় তোমার কথারা-
আমার এই সব— আমি আজ তোমায় দিলাম।

তবু একদিন কথারা গত হয়,
থেমে যায় বেহাগের আলাপন-
তারাবাতিও নিভে যায় ঝুপ্ করে।
শুধু বিষণ্ণ চাঁদটা ঝুলে থাকে স্মৃতির আবছায়া জ্যোৎস্নাতে-
ঠিক আমারই মত।

আজ অনেক জন্ম.....
আমি তোমার প্রেমের উপবাসি।
তাতে কী? তুমিও যেতেই পারো পরবাস;
কারণ, আমার মনের সমস্ত ক্ষমাও
আজ আমি তোমায় দিলাম॥

                                           ©   সুফি রায়

"ওরে ও ভাঙামন " - অয়ন মণ্ডল



ওরে ও ভাঙামন, আবেগে চলে নিজের খাতে
সাধ্যি কী তোর ডিঙা বাইস উল্টো স্রোতে;
তাকিয়ে দেখিস লবণজলে তোরও কিছু স্বত্ব আছে।
ওরে ও ভাঙামন, এ শহর জানে মধ্যরাতের ফুটপাথে
গল্পকথা আড় ভাঙে মধ্য ঘুমের শৈশবে,
ভাবনা ভাবিস তোরই একার দুঃখঘুমের স্বপ্ন আছে।
ওরে ও ভাঙামন, তোর চশমার ওই ধুলোর ঝড়ে
জানিস যত তোর অবদান জেগে থাকে,
জানবি তত বৃষ্টিতে তার অন্য আদর মিশে আছে।
ওরে ও ভাঙামন, তোর নিজস্বতার বিশুদ্ধতায়
সুরের কিছু ওঠানামায় ছন্দ যে গান গাইতে পারে,
মনটা তোর ভাঙাই থাক, এমন বাসতে ভালো কজন পারে॥




     ©   অয়ন মণ্ডল

" পথের গভীরে " - অয়ন মণ্ডল



প্রাণপ্রাচুর্য্যের স্মৃতি হাঁটে সরণিল ধার ধরে
চুপচাপ, আনমনা বাতাস সঙ্গী;
কিছু টান সে পিছু হাঁটে ধীর লয়ে
দূরত্ব বর্তমানের সাথে;
পথের দূরত্বে আবেগ ঘনীভূত-
ভেজে আবেগের লবণাক্ত জলে;
কল্পনীয় বেদনা অকল্পনীয়তার স্বাদ পায়,
অকস্মাৎ দুর্যোগে যদিও জানালা বন্ধ
বৃষ্টির ছাঁট তবু বাইরেটা ভেজায়॥

                                        
                                         
                                                                         ©   অয়ন মণ্ডল

" বেকার আমরা বেকার " - রণবীর বন্দ্যোপাধ্যায়


'অ'কার 'আ'কার '৯'কার।
বেকার আমরা যেন বেকার॥

খটাখট শব্দ তোলা টাইপরাইটার।
স্মৃতি তোমায় করেছে কম্পিউটার॥

কিংবা হলুদ পোস্টকার্ডের আলাপ।
সেটাও হারিয়ে ফেলেছে হোয়াট্স অ্যাপ॥

টেকনোলজি-র দান দুরন্ত প্রোগ্রেস।
করছে সময়ের নিপুণ হিসেবনিকেশ॥

অচেনাকে চেনায় যে ফেসবুক।
পাতায় পাতায় সুন্দর কত মুখ॥

কথা হয় অদ্ভুত এক ভাষায়।
জলাঞ্জলি দিয়েছি বোঝার আশায়॥

'অ'কার 'আ'কার লিকার।
খোঁজ বলো কে রাখে তার॥

ভাষা নিয়ে আবেগে ভাসি একদিন।
তারপর কিম্ভুতকিমাকার প্রতিদিন॥

প্রেমের প্রকাশ বিদেশী অক্ষরে।
যেন ঘোলের স্বাদেই প্রাণ ভরে॥

বন্ধুকে আর পাই না খুঁজে রাস্তার রকে।
কাটছে মুহূর্তগুলো মোবাইল-এ তে বকে॥

তবুও মনটা যে ছবি আঁকে।
লাল মাটির ওই পথের বাঁকে॥

নিজেই নিজের সাথে কথা বলি।
একা একা পথ চলি॥

আদ্ধেক ভুলেছি আমার কবির দান।
বাকি আদ্ধেক তার ফিউশন গান॥

কনফিউশনটা বাড়ছে যে প্রতিদিন।
'অ'কার 'আ'কার ৯কার হচ্ছে বড়ই দীন॥

বেকার সব বেকার।
সঠিক খোঁজ রাখে কে বাংলার॥

                                        


                                                                                                                                  -   রণবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

সোমবার, ১০ জুলাই, ২০১৭

" আবার বার্ড-ফ্লু হলে " - অরুণোদয় ভট্টাচার্য





এ বঙ্গে আকাশটা নেই আর ব্লু


উড়ে এসে গেঁড়ে বসে আছে বার্ড-ফ্লু।


'কালিং' আর নয় ফুল চয়ন নিপুণ—


সাদা ভূত সেজে কর গলা টিপে খুন ! 

কিচেন চিকেনহীন গোঁড়া বৈষ্ণব,


এগেটারিয়ানরাও কাঁদে ঐ সব !





অবনী বলল 'চল চড়ে টাটাসুমো


ভুবনেশ্বর গিয়ে খেয়ে আসি মোমো !'


দাশু বলে,'আমি দাস কেবিনেই ঢুকি,


আরে বাবা,এ শহরে কীসে নেই ঝুঁকি?'








                — অরুণোদয় ভট্টাচার্য

" GREETINGS CARD " - মনোজ রায়



দেখতে দেখতে বিদায় নিতে চলেছে আরো একটা বছর ,২০১৬। সঠিক মুহূর্তের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ২০১৭ দরজায় উঁকি মারছে। ৩১ শে ডিসেম্বর থেকেই হু হু করে চড়তে থাকে উন্মাদনার পারদ। বছরের শেষ রাতে ঝলমলে আলোর মাঝেই শুরু হয় নতুন বছর শুরুর অপেক্ষা। ঘড়ির কাঁটাও যেন ধীরে চলতে থাকে, বাড়িয়ে দেয় অপেক্ষার অধীরতা। কারণ একটি সেকেণ্ডে সময়ের ব্যাবধান হয়ে দাঁড়ায় পুরো একটা বছর। আর নতুন বছর মানেই সকলে মিলে আড্ডা ,গল্প, পিকনিক। তবে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো গ্রিটিংস কার্ডের মাধ্যমে নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তা আদান প্রদান। নার্সারি পড়ুয়া থেকে শুরু করে বয়স্ক- সবাই তাদের আপনজন, আত্মীয়-বন্ধুদের গ্রিটিংস কার্ড দিয়ে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানায়।

        Greetings Card এর প্রচলন শুরু হয় প্রাচীন চীন দেশে। তখন তারা নিজেদের সদিচ্ছাগুলি একে অপরের সাথে আদানপ্রদান করতো নতুন বছর উদযাপন করার সময়। মিশরীয়রা শুভেচ্ছা আদানপ্রদান করতো প্যাপিরাসের উপর। জার্মানরা পরিচিত ছিল ১৪ শতকের দিকে কাঠের টুকরোর উপর এঁকে শুভেচ্ছা আদানপ্রদান এর জন্য। ১৫ শতকের প্রথম দিকে হাতে বানানো কাগজের Greetings Cardব্যবহার করতো ইউরোপীয়রা। সবথেকে পুরোনো ভ্যালেনটাইন বর্তমানে ব্রিটিশ মিউজিয়ামে রাখা আছে। ১৮৫০ এর দিকে হাতে তৈরী Greetings Card অনেক বেশি দামি এবং জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তারপর ধীরে ধীরে অনেকেই গ্রিটিংস কার্ড ছাপার আকারে বাজারে আনতে উদ্যোগী হয়।

        নববর্ষ ছাড়া Greetings Card অন্যান্য অনুষ্ঠানেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন- জন্মদিন, বিয়ে অথবা বিবাহবার্ষিকী, শিক্ষক দিবস, ক্রিসমাস ইত্যাদি। Greetings Card দোকানে কিনতে পাওয়া গেলেও অনেকেই নিজের হাতে বানিয়ে দিতে পছন্দ করে। কিনতু বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া (হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক, টেলিগ্রাম, ইমো ইত্যাদি) এবং ইলেকট্রনিক মেসেজিং সার্ভিসগুলোর কারণে


Greetings Card এর ব্যবহার কমে এসেছে। ভেবে আশ্চর্য বোধ হয় রে, আমাদের দেশে প্রতিনিয়ত Greetings Card ব্যবহার কমলেও প্রাশ্চাত্য দেশগুলিতে এর ব্যবহার এখনো আছে। পাশ্চাত্য দেশগুলি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে সময়ের নিরীখে আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে। তা সত্ত্বেও সেখানে গ্রিটিংস কার্ডের চল রয়েছে, বিশেষ করে এই ডিসেম্বর-জানুয়ারী মাসে। আসলে সময়ের সাথে সাথে মানুষ যত আধুনিক হয়েছে ততই কমে গেছে সামাজিকতার আন্তরিকতা। তাই এখন আর বছর শেষে দোকানে মানুষের ভিড় দেখা যায় না। দোকানের বাইরেও ঝুলতে দেখা যায় না ছোট-বড় রং-বেরঙের কার্ড। যদিও এখনও সবাই একে অপরকে শুভেচ্ছা জানায়। তবে তা হাতে হাতে উষ্ণ অনুভূতি নয়, তা অসাড় মুঠোফোনের শীতল সামাজিকতা। 



                                                                            - মনোজ রায়

" রিমির মৃত্যু রহস্য - দ্বিতীয় অংশ " - মনোজ রায়



      অদিতি একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল, "এরকম কেন বলছেন? ও তো আমার সাথেই এলো। কত গল্প করলাম আমরা। একসাথে খেলাম। তারপর ও নিজেই বললো হোস্টেলে আসতে, আপনার সাথে দেখা করে... "
— "অদিতি মৃত মানুষ কখনো ফিরে আসেনা।"


অদিতি অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে মিসেস রায়-এর দিকে। এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো হৃদস্পন্দন স্তব্ধ হয়ে গেছে।
— "মৃত মানুষ?? আমার রিমি বেঁচে আছে। আমার সাথেই ছিল সারাদিন। আজ ওর জন্মদিন আর আজকের দিনে আপনি এরকম কী করে বলতে পারেন?"
— "মিসেস ব্যানার্জী, আপনি আমার ঘরে চলুন। আমি আপনাকে সব বলছি।"
দুজনেই ঘরে এসে বসলেন। একটু সময় নিয়ে ইন-চার্জ বললেন, "রিমি দুমাস আগেই মারা গেছে। হোস্টেলেই। স্যুইসাইড।"
এবার আর অদিতির চোখের জল বাঁধা মানল না। মুখে আঁচল চাপা দিয়ে অঝোরে কাঁদতে লাগল। অদিতির মনে হচ্ছে যেন এবার ও সত্যি সত্যি বোনকে হারিয়ে ফেলল। এতদিন কোনো খোঁজ পাওয়া না গেলেও ওর মনে একটা আশা ছিল হয়ত রিমি ফিরে আসবে। কিন্তু আজকে এই কথা শোনার পর অদিতি বুঝে গেছে যে রিমি আর কোনদিন ফিরবে না। এটা যেন ও কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না। মিসেস রায় নেজের চেয়ার ছেড়ে এসে ওকে সান্ত্বনা দিতে থাকলেন।

অদিতি নিজেকে কিছুটা সামলে নিয়ে বলল, "কি হয়েছিল? বলুন আমাকে।" একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে মিসেস রায় বলতে শুরু করলেন- "সেদিন ছিল রবিবার। কলেজে

তিনদিনের ছুটি দেওয়া হয়েছিল। তাই অনেকেই শনিবার রাতে বা রবিবার সকালে বাড়ি চলে গিয়েছিল। রিমিকে নিয়ে নয়জন মতো ছিল হোস্টেলে। তখন রাত প্রায় দশটা। আমি ঘরেই ছিলাম। এমন সময় একজনের চিৎকার শুনলাম। জানলা খুলে বাইরে কিছু দেখতে পেলাম না। কিছুক্ষণ পরে সাত-আটজন মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে দৌড়ে এলো আমার ঘরে।"
— "ম্যাডাম রিমি...!!"
— "কি হয়েছে রিমির?"
— "আমরা সবাই খাওয়ার পরে ছাদে বসে গল্প করছিলাম। রিমিও ছিল আমাদের সাথে। এদিক সেদিক ঘুরতে ঘুরতে ছাদের কিনারায় গিয়ে দাঁড়ালো। আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই হঠাৎ ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে দিলো। আমরা খুব ঘাবড়ে গেলাম। কিছু না বুঝতে পেরে আপনার কাছে এলাম। আমাদের খুব ভয় লাগছে।
— "সে কি..!! কী সব বলছো তোমরা? কোথায় ঝাঁপ দিলো? কেন? আমাকে দেখাও.. চল তোমরা।"
— "সেখানেই পড়ে আছে ম্যাডাম। আমরা কিছু করিনি।"
— "আচ্ছা চল, আগে রিমিকে দেখি।"
এই বলে মিসেস রায় একটু থামলেন। অদিতির চোখ থেকে সমানে জল গড়িয়ে পড়ছে তখনো। জিজ্ঞেস করল, "তারপর??"
— "আমি সবার সাথে গেলাম সেখানে। কাছে গিয়ে দেখলাম রিমি আর নেই। রিমি খুব ভালো মেয়ে ছিল। এভাবে ছেড়ে তো দেওয়া যায়না। তাই তাড়াতাড়ি কলেজ ট্রাস্টি কে কল করে সব কিছু জানালাম। মিঃ সেন বিরক্ত হয়ে বললেন, 'এটা যেন কোনো ভাবেই জানাজানি না হয়। কোনভাবেই যেন কলেজের বদনাম না হয়। তুমি আপাতত স্টুডেন্টদের হ্যাণ্ডেল করো। আমি দেখছি।' এই বলে উনি কলটা কেটে দিলেন। রিমির জন্য খারাপ লাগলেও ওপরমহলের কাছে আমার হাত-পা বাঁধা ছিল। সেদিন ওনার নির্দেশ মতোই সবাইকে জানানো হয়েছিল যে রিমিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।"

 "কিন্তু আমার বোন সুইসাইড করেছে এটা আমি কোনোমতেই মানতে পারবনা। ও খুব সাহসী। কিছু নিশ্চয়ই লুকোচ্ছেন আমার কাছে। নইলে হোস্টেলেই লুকিয়ে আছে ওর সুইসাইড করার কারণ।"

এটা শুনে মিসেস রায় ঘাবড়ে গেলেন, "আমি আপনার মনের অবস্থাটা বুঝতে
পারছি। কিন্তু যা হয়েছে তাতে আমাদের কোন দোষ ছিল না। তাছাড়া রিমি তো ফিরে আসবে না। আর আপনি যদি পুলিশে কমপ্লেইন করেন আমার যা হয় হবে। কিনতু সাথে ওই সাত-আটজন মেয়ের লাইফও নষ্ট হয়ে যাবে। প্লিজ এরকম কিছু...."
মিসেস রায়ের কথা শেষ হতে পারল না। তার আগেই একটা তীক্ষ্ন চীৎকারে বুক কেঁপে উঠল। শব্দের আকস্মিকতায় সকলেই স্তম্ভিত। তারপর দুজনেই ছুটলেন আওয়াজ লক্ষ্য করে, হোস্টেলের দিকে।
করিডোরে অনেক মেয়ে জটলা করে আছে। সেখানে গিয়ে দেখা গেল একটা মেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে। তার মুখে-চোখে জলের ছিটে দিয়ে জ্ঞান ফেরানো হয়েছে। কিন্তু সে অঝোরে কেঁদে চলেছে। তার হাত-পা কাঁপছে, আর বারবার রিমির নাম নিচ্ছে। এবার মিসেস রায় যেন হঠাৎ করে ব্যাস্ত হয়ে পড়লেন তাকে নিয়ে, "কিছু হয়নি, কিচ্ছু হয়নি। সব ঠিক হয়ে যাবে" বলে কান্না থামানোর চেষ্টা করলেন। কিন্তু অদিতির একটু অবাক লাগল। তাই সে জিজ্ঞাসা করল, "কী হয়েছে? বারবার রিমির নাম করছ কেন?"
তখন মেয়েটি যা বলল তাতে সকলেরই গায়ে কাঁটা দিল, "রিমি.. রিমি এসেছিল। ওখানে দাঁড়িয়েছিল।


                                                  
                                                                          (........শেষ অংশ )

                                                                           - মনোজ রায়