ঋকের জেদ দেখে মনে পড়ছে, টুসিও ছোটবেলায় একবার সান্তাক্লজের সাথে দেখা করবে বলে রাতে ঘুমের ভান করে শুয়েছিল। আর পরদিন খুব কেঁদেছিল এই বলে যে, "সান্তা আমাকে চিট্ করেছে, এতদিন সান্তা আমাকে একটাও গিফট দেয়নি।" ঋকও তো সান্তার সাথে দেখা করেই ছাড়বে। বলে গেছে, "সান্তা আসলে আটকে রাখবে মাম্মাম, অনেক গিফট চাওয়ার আছে।"
হঠাৎ একটা ফোন পেয়ে ছুটে বেরিয়ে গেল টুসি।
ডাক্তার : "আপাতত লাইফ রিস্ক নেই, কিনতু অনেকটা ব্লাড দিতে হয়েছে। তবে এই লোকটা সময় মত না নিয়ে এলে মুশকিল হত।"
টুসি দেখল ময়লা গেঞ্জি আর খাটো করে লুঙ্গি পড়া, ধবধবে চুল-দাড়িওয়ালা একটা বুড়ো একটু দূরে দাঁড়িয়ে গামছায় ঘাম মুছছে। টুসি কাঁদতে কাঁদতে গিয়ে তার দুহাত ধরে বসে পড়ল। ঋককে সান্তার সাথে মিট করাতে পারবে কিনা জানা নেই; কিনতু আজ এতবছর পর ওর সান্তা ওকে সবচেয়ে দামী গিফট টা দিয়ে গেল।
হঠাৎ একটা ফোন পেয়ে ছুটে বেরিয়ে গেল টুসি।
ডাক্তার : "আপাতত লাইফ রিস্ক নেই, কিনতু অনেকটা ব্লাড দিতে হয়েছে। তবে এই লোকটা সময় মত না নিয়ে এলে মুশকিল হত।"
টুসি দেখল ময়লা গেঞ্জি আর খাটো করে লুঙ্গি পড়া, ধবধবে চুল-দাড়িওয়ালা একটা বুড়ো একটু দূরে দাঁড়িয়ে গামছায় ঘাম মুছছে। টুসি কাঁদতে কাঁদতে গিয়ে তার দুহাত ধরে বসে পড়ল। ঋককে সান্তার সাথে মিট করাতে পারবে কিনা জানা নেই; কিনতু আজ এতবছর পর ওর সান্তা ওকে সবচেয়ে দামী গিফট টা দিয়ে গেল।
- সুফি রায়








0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মতামত দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ , খুব শীঘ্রই আপনাকে উত্তর দেওয়া হবে :-)